Posts

তিন নlরীর একlকী প্রেমিক...

  🌙 তিন নারীর একাকী প্রেমিক আমি তখন পুরোপুরি বেকার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে চাকরীর চেষ্টা করছিলাম। সেই ফাঁকে কিছু প্রাইভেট টিউশনি করার সিদ্ধান্ত নিলাম। সময়ও কাটবে কিছু আয়ও হবে। ভালছাত্র ছিলাম বলে ঐ একটা কাজ খুব ভাল করতাম এসএসসি পাশের পর থেকেই যখনই সময় পেয়েছি টিউশনি করেছি এবং আমার ছাত্র,ছাত্রীরা সবসময়ই ভাল রেজাল্ট করতো। কয়েকজন বন্ধু বান্ধবকে বলে রেখেছিলাম তাদের মধ্যেই একজন এই টিউশনিটার খবর দিল। এক বিধবা স্টাফ নার্সের দুই মেয়েকে পড়াতে হবে। মহিলার কোন ছেলে সন্তান নেই।মহিলা তার দুই মেয়ে রিয়া আর সুস্মিতাকে নিয়ে হাসপাতালের সার্ভিস কোয়ার্টারেই থাকে। ঐ দিনই বিকেলে দেখা করলাম। চমৎকার মহিলা, বেশ হাসিখুশি আর মিশুক, বয়স ৪০ ছোঁয়নি, তবে শরীরের গাঁথুনি বেশ ভাল। চমৎকার ফিগার, গায়ের রংটা তামাটে, বেশ লম্বা।প্রথম দর্শনেই মহিলাকে মাসী বলে ডাকায় সে খুব খুশি হলো। তবে আমাকে একটু সংশোধন করে দিয়ে বললো, শুধু মাসী ডাকলে আমার বেশ অস্বস্তি হয় তুমি আমাকে সুজাতা মাসী বলে ডেকো। সুজাতা মাসী আমার দুই ছাত্রীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। অবাক হলাম সুজাতা মাসীর দুই মেয়েকে দেখে। দুই মেয়ে যেন পৃথিবীর দুই বিপরীত মেরু। একই মায়ের প...

এক রlতে রুনlকে পlগলের মতেl...

  🌙 এক রাতে রুনাকে পাগলের মতো আমি সাগর আজ আপনার দের সাথে একটি বাস্তব কাহিনী শেয়ার করবো যাকে নিয়ে আজকের গল্প তার নাম হলো রুনা। রুনা ছিলো আমার পঞ্চম প্রেমিকা। আমাদের প্রেম টা হয় রং নাম্বার এ , ১বছর আগে রাত ৮টার সময় আমার ফোনে একটা কল আসে আমি রিসিভ করতে একটা মেয়ে বলে কেমন আছেন ? আমি ও বললাম হ্যাঁ ভালো আছি, এই ভাবে আমাদের মাঝে কিছু দিন কথা হয়, তার সাথে কথা বলতে বলতে জানতে পারলাম তার ভাই নেই। তারা দুই বোন। রুনা আর রুবিনা, রুনা ছিলো বড় আর রুবিনা ছিলো ছোট, রুবিনা বাড়িতে থাকতো না ,সে পড়াশুনা করার জন্য শহরে থাকতো, কিছু দিন পরে রুনার সাথে কথা বলা অবস্থায় সে আমাকে বলে আমার তো ভাই নাই তাই তোমাকে আমার ভাই বানাতে চাই তুমি কি বলো। আমি ও হ্যাঁ বলে দিলাম। ভাই হিসাবে কিছু দিন কথা বলার পরে তার ছোট বোন বাসায় আসে , রুবিনার সাথে আমার আর কোন দিন কথা হয় নি, তো রুনা আমাকে তার ছোট বোন রুবিনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, আমার ইচ্ছা ছিল যেহেতু বড় বোন ভাই বানালো তাহলে যা করার ছোট বোন কে এ করতে হবে। তাই আমি রুবিনার সাথে প্রতিদিন এ কথা বলা শুরু করে দেই। ওই সময় আমি মেডিক্যাল কলেজ এর ছাএ ছিলাম। তাই মেয়েদের বিষয় এ একটু ভ...

মনির হlতে ধরl মlসি...

  🌙 মনির হাতে ধরা মাসি আমি যেভাবে ওর প্রতি প্রথম দেখাতেই দুর্বল হয়েছিলাম এবং আমার সর্রস্ব নিবেদন করতেও রাজি হয়েছিলাম। ঠিক সেভাবে তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে সব মেয়েরা। তার আরেকটা গুণ হলো – যে মেয়েকে তার চোখে লাগবে তাকে সে যেভাবেই হোক পটাবেই। সে মেয়ে পটাতে খুবই এক্সপার্ট। টিন-এজ থেকে শুরু করে ৪০ বছরের নারীর সাথেও সে পটিয়ে নিয়মিত সেক্স করে। তার বাড়াটি স্বার্থক! কত শত শত নারী ভোদায় যে তা ঢুকেছে কে জানে! আমাকে সে মাত্র দুইদিনের পরিচয়েই বাসায় এসে চুদালো। আমি তার কথায় পটে তাকে চোদা না দিয়ে পারলাম না। তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো সে তার সেক্স পার্টনারকে খুব চুদন-সুখ দিতে পারে। অনেকক্ষণ তার মাল আটকিয়ে রাখাতে পারে। অন্য পুরুষরা তো ১৫-২০ মিনিটেই ফুসসসস! এক্ষেত্রে সে – কিং অব দ্যা প্লেবয়। সোনার মধ্যে তার অনেক জোর! যেখানে নারীর ছবি দেখে – সোনা ফাল দিয়ে লাফিয়ে যায়। ওই নারীর শরীরে ঢুকতে ইচ্ছে করে। ওর এমনিতেই চোদাচুদির খুব শখ। শালা মনি খুব কামুক!… একবার যাকে চুদতে যায় – তার অবস্থা কাহিল করে ফেলে! অনেক সেক্সপাওয়ার তার। আমারও চুদাচুদির খুব ইচ্ছে। আমিও এক পুরুষে সন্তুষ্ট নই।   আ...

অন্ধকlর রlতের আখক্ষেতে...

  🌙 অন্ধকার রাতের আখক্ষেতে  দুজনের।রাত নয়টা বাজলেও মনে হচ্ছে মাঝরাত হয়ে গেছে।আশেপাশে জনমানবের কোনো চিহ্ন নাই।দু ধারে শুধু ফাকা মাঠ আর কিছু কিছু জায়গায় সারিবদ্ধ আখের ক্ষেত। রোজিনা আর আনিস পাকা সড়ক ছেড়ে উত্তর দিকে ক্ষেতের আল বেয়ে নেমে যায়।এদিক দিয়ে গ্রামের পথটা কিছুটা ভালো। সামনে পোড়োবাড়ীর জঙ্গল আর আখক্ষেত দুই কিলো মতো মাড়ালে গ্রামের সীমানায় এসে যাবে।প্রচন্ড কুয়াশায় এক হাত দুরেও কিছু দেখা যাচ্ছে না। আর একনাগাড়ে শিশির পড়ছে বৃষ্টির মতো,রোজিনার পড়নে কালো বোরখা ভিজে চুপসে গেছে।শীতে আরো ঠনঠন করে কাপছে বেচারী।এদিকে ফোনে চার্জ ও নেই, বন্ধও হয়ে যাবে, নেটও নাই যে বাড়তে ফোন দিয়ে খোঁজ নেবে।ক্ষেতের আইলে আচমকা হোচট খেয়ে পড়ে রোজিনা।ঘুটঘুটে ঘন অম্যাবসা অন্ধকারে এমন প্রতিকুল পরিবেশের এক্সপেরিয়েন্স রোজিনার জন্য প্রথম।আনিস এসে অন্ধকারে রোজিনার হাত টেনে তুলে কোমড় জড়িয়ে ধরে দাড়াতে চেষ্টা করেন।রোজিনা পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে ভীষণ ব্যথা পেয়েছে,সোজা হয়ে দাড়াতে পারছে না।মনে হয় আঙ্গুলের নখ ফেটে রক্ত বের হচ্ছে বা জমাট বেধে ব্যথায় নীল হয়েছে।অন্ধকারে বোজা যায় না।রোজিনা তবুও বলে সে পারবে।কিন্তু আনিস বুঝতে পারে র...

ভlবীর সlথে দেওরের মিলন...

  🌙 ভাবীর সাথে দেওরের মিলন আমার ভাইয়ার বিয়ে ঠিক হয়ে গেল হঠাৎ করেই । ভাইয়া ইউরোপ থেকে ছুটিতে এল অনেক দিন পর। তাই এবার তাকে বিয়ে করানো ছাড়া যেতে দেওয়া হচ্ছে না। মেলান শহরের মেয়েদের দেখে ভাইয়ার হাত মারতে মারতে দিন কাটানোর সময় শেষ। নাকি ভাইয়া তাদের সাথে সেক্স ও করে কে জানে। টুকটুকে একটা ভাবী পছন্দ করেছে আমার ভাইয়া। ভাবী কে দেখেই আমার জল চলে আসে। ভাবী তো নয় যেন একটা ডানা কাটা পরী। তখন তাকে ভেবেই ভেবেই আমার হাত মারা চলছিল। হেবী লাম্বা। পুরো ৫ ফুট সাড়ে চার। হাইটের সংগে মিল রেখে তার অন্যসব ও সাইজ মতই আছে। ঠোট তো নয় যেন দীর্ঘ এক নদী। এমন ভাবে তাকায় যেন আস্ত গিলে ফেলবে। মনে মনে ভাবছি ভাইয়া সামলাতে পারবে তো। সবাই মহা খুশি। সারাদিন শুধু ভাবীর কথা ভাবি আর হাত মারি। ভাবীকে দেখে আমার বেশ লোভ হচ্ছে। চোখ ফেরাতে পারছি না। চোখ ফেরালে ও মন কিছুতেই ফেরানো যাচ্চে না। শুধু আমি নয়, আমার বন্ধুরাও বলেছে, যে তোর ভাই একটা মাল যোগাড় করেছে। মুখে মুখে আমি তাদের ধমক দিলেও মনে মনে আমিও তাই ভাবি। দেখা যাক কি আছে কপালে। আমি আশায় আশায় রইলাম। যদি ভাগ্য দেবী আমার হাতে এসে ধরা দেয়, তবে নিশ্চয়ই সে...

গল্প:মlয়ের নাইটির বেlতlম খুলে ছেলে...

  🌙 মায়ের নাইটির বোতাম খুলে ছেলে আমার নাম সুজয় দাস। আমার বাড়ি জলপাইগুড়ি উওরবঙ্গের ছোট শহর একটা। বয়স ২৫ বছর। জীবনের যেই ঘটনা গুলো বলবো সেটার সাথে অনেক ছেলের জীবনের মিল আছে। গল্পের শুরু আমার মাকে নিয়ে। মার নাম কাবেরি দাস। বয়স এখন ৪৮। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ার জন্য মায়ের কাছে বড় আদরের। সব আবদার আদর ভালোবাসা মায়ের কাছে। বাবা আগে বাইরে কাজ করতো। ছেলেরা মায়েদের অনেক কাছের হয় তাও আবার একমাত্র। ছোট বেলার গল্পের সাথে শুরু করি। তখন যৌনতা বুঝতাম না কিন্তু আলাদা একটি অনুভূতি কাজ করতো। আমার বয়স তখন দশ বছর। আমরা থাকতাম ভাড়া বাড়িতে। আমাদের একটাই বিছানা থাকার জন্য আমি আর মা একসাথে শুতাম। মা গরমের রাতে ঘুমানোর আগে শাড়ি ছেড়ে শুধুমাত্র সায়া ব্লাউজ পড়ে শুতো। আমার অভ্যাস ছিল মার দুধ ধরে ঘুমানোর। তো তখন ধরার সাথে সাথে মার ব্লাউজের হুক খুলে দুধ চুষতে থাকতাম আর মাকে বলতাম দুধ বের হয় না কেনো? মা বলত দুধ শুকিয়ে গেছে। মার দুধের সাইজ ৩৪ সি। মা বকা দিত মুখে খেতে বারণ করত না। অনেক এরকম হয়েছে মার ব্লাউজের হুক ছিঁড়ে গেছে দুধ খেতে গিয়ে। মা যখন স্কুলে যাবার জন্য রেডি করাতো মা তখন শুধ...

গল্প: ব্ল্যাক মেইল...

  🌙 ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল করে আমি রাফিন আজ যে গল্প টি বলবো এটা একটা বাস্তব ঘটনা ঘটনা টা ৬ মাস আগের ঘটনা আগে আপুর সম্পর্কে একটু বলি আপুর নাম বিন্দু দুদু৩২,কোমর ২৬,লম্বায় ৫” ৩ ঘটনা শুরু করা জাক বিন্দু আপুকে দেখলে এমন কোন ছেলে নাই যে বেডে পেতে চাইবে না উনার লম্বা লম্বা কালো চুল ধরে চুদার জন্য আমার ও অনেক শখ ছিল উনাকে যখনই দেখতাম চোখ দিয়েই চুদতাম কত মাল ফালাইসি উনার কথা মনে করে একদিন আমরা বন্ধুরা তাদের বাসায় আড্ডা দিতে ছিলাম তো আমার একটা কল আসে তখন আমি সাদের এক সাইডে জাই ওইখান থেকে বিন্দু আপুর রুম সরাসরি দেখা যেত আমি দেখি সেখান দিয়ে আপু জামা চেঞ্জ করতাসে মাত্র গোসল করে এসেছে টাওয়েল গা দিয়ে কালো রঙের একটা ব্রা পরলো আর কালো রঙের একটা প্যানটি তো ভাবতে লাগ্লাম কিভাবে বিন্দুকে চুদে সিন্দু করে দেয়া যায়। ভাবতে ভাবতেই একদিন এলাকায় এক বড় ভাই এর বিয়ে এসে পড়ে তো গায়ে হলুদে বড় অনুস্টান এর আয়োজন করে আমরা কয়েকজন মিলে ১ কেস ব্লাক ডেভিল আনাই তখন বিন্দু আপু বলে কিরে তরা কি একাই খাবি আমাকে দিবি না আমরা তখন মজা করে বলি খাওয়ার পর বমি করবেন আপু বলে করবো না অনেক জোর করে একটা ক্যান নেয় নিয়ে দুই তিন চুম্মু...